মহারাষ্ট্রে ৩ জন নির্দোষ হিন্দু সন্ন্যাসীকে মেরে ফেললো ২০০ জন গুন্ডা, চুপ বুদ্ধিজীবি তথা মিডিয়া

মহারাষ্ট্রে ৩ জন নির্দোষ হিন্দু সন্ন্যাসীকে মেরে ফেললো ২০০ জন গুন্ডা, চুপ বুদ্ধিজীবি তথা গণমাধ্যম ।

দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যে এক বীভৎস হানাহানির ঘটনা ঘটে গেল ।
মহারাষ্ট্রের পালঘরে শ্রী পঞ্চ দশনামা জুনা আঁখড়ার দুই সন্ন্যাসী মহন্ত কল্পবৃক্ষ মহারাজ (বয়স ৭০ বছর) ও মহন্ত সুশীল গিরি ( বয়স ৩৫ বছর) এবং তাদের গাড়ীর চালককে পিটিয়ে মেরে ফেললো ২০০ জনের বেশি গুন্ডারা। গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের পালঘরে ২ জন নির্দোষ হিন্দু সন্ন্যাসীকে তথা তাদের গাড়ির চালক নীলেশ তেলগড়েকে হত্যা করলো ২০০ জনের বেশি গুন্ডা। মুম্বাইয়ের কান্দিবালি থেকে সুরাটে তাঁরা যাত্রা করেছিলেন তাঁদের গুরুর অন্তিম সংস্কারের জন্য । লকডাউনের জেরে মুম্বাই-গুজরাট বর্ডার এলাকায় পুলিশ তাঁদের বাড়ির দিকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। এরপর পালঘরের একটি গ্রামের কাছাকাছি আসতেই গুন্ডারা গাড়িতে পাথর ছুঁড়ে গাড়ির চালককে আহত করে এবং দুই সন্ন্যাসিকে পাথর ও লাঠি দিয়ে নৃশংসভাবে মারতে থাকে। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার পরে পুলিশের উপস্থিতিতেও এই নৃশংসতা চলতে থাকে। আহত সন্ন্যাসিদের ফেলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

মহারাষ্ট্রের মূখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে হিন্দু হৃদয়সম্রাট বালাসাহেব ঠাকরের ছেলের রাজত্বে ২ জন নির্দোষ হিন্দু সন্ন্যাসী ও তাদের গাড়ির চালকে হত্যা করলো গুন্ডারা। এর ফলে গোটা দেশে সমলোচনার ঝড় উঠেছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন দেশের মানুষ। সোশাল মিডিয়াতে ঝড় উঠেছে এর প্রতিবাদে। সাধু সন্তদের দেশে এত বড় ঘটনা ঘটে গেলেও দেশের বুদ্ধিজীবিদের মুখে যেন কুলুপ পড়ে গেছে এবং দেশের মিডিয়া গুলোও কোন খবর করছেন না। এরফলে দেশবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বাংলার অনেকেই বলছেন, উত্তর প্রদেশে কোন ঘটনা ঘটলে সেটা বাংলার মিডিয়া গুলো দিন রাত দেখান তবে মহারাষ্ট্রে ২ জন সন্ন্যাসীকে হত্যা করলো তাতে মিডিয়া চুপ কেন? অনেকেই বাংলার তথা দেশের মিডিয়াকে প্রশ্ন করছেন সোশাল মিডিয়াতে। এই ঘটনার ফলে সোশাল মিডিয়াতে অনেকে বলছেন, দেশের অধিকাংশ মিডিয়া বিক্রি হয়ে গেছে বলে অনেকেই অভিযোগ করছেন। কারন মহারাষ্ট্রের পালঘরের হিন্দু সন্ন্যাসীর হত্যা দেশের মানুষের কাছে আনতে চায়ছেন না অনেক মিডিয়াই এই রকম অভিযোগ করছেন অনেকেই সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে।