তিথির প্রেমে পড়লেন রুদ্রিক! দেখুন বরণ সিরিয়ালের শেষ পর্বের ঘটনা

ঘরের মা-বউ মাসি পিসি দের জন্য বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হলো বাংলা সিরিয়াল। আর এই সিরিয়াল গুলোর মধ্যে স্টার জলসার বরণ সিরিয়াল অন্যতম। এই সিরিয়ালে তিথি মুখার্জির চরিত্রে অভিনয় করছেন ইন্দ্রানী পাল এবং নায়ক রুদ্রিক ব্যানার্জীর ভূমিকায় রয়েছেন সুস্মিত মুখার্জী। এই সিরিয়ালের শেষ পর্বে দেখা যায় রুদ্রিক এবং নায়রার মেহেদি অনুষ্ঠানে তিথি নিজে নায়রা কে মেহেন্দি পরিয়ে দিচ্ছে। তবে সেখানে রুদ্রিক কিন্তু তিথিকেই চোখে হারাচ্ছে। (Boron serial Rudrik falls in love with Tithi even in the mehendi celebration of Nayra)

সত্যি বলতে, বরণ সিরিয়ালের ঘটনাপ্রবাহ অনুযায়ী এ কথা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে রুদ্রিক ধীরে ধীরে তিথির প্রেমে পড়ে যাচ্ছে। এর কারণ আপনারা যারা অলরেডি এই পর্বটি দেখে ফেলেছেন তারা বুঝতে পেরেছেন। এখনো পর্যন্ত হওয়া শেষ পর্বে দেখা যায় নায়রার হাতে মেহেন্দি পরিয়ে দিচ্ছে তিথি। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা প্রেমের গান বাজছে।

অনুরাধা পাড়োয়ালের গাওয়া “লিখকে মেহেন্দি সে সাজনা কা নাম” গানে নায়রা এবং তিথি নাচ করতে শুরু করে। তাদের সাথে বাড়ির সবাই যোগ দেয়। তবে ঠিক সেই মুহূর্তে তিথির মোবাইলে রাজের ফোন আসে। আর তিথি জানায় যে রাজ যেন তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করার চেষ্টা না করে।

তবে তিথিকে অন্যের সাথে মোবাইলে কথা বলতে দেখে রুদ্রিক ভীষণ রেগে যায়। এমনকি সে তিথিকে তার কাছে জবাবদিহি করতে বলে। তবে তিথি জানায় যে সে যার সাথে কথা বলুক না কেন তাতে রুদ্রিকের কী আসে যায়। রুদ্রিকের এই অকষ্মাৎ রাগ দেখে প্রত্যেকে বিস্মিত হয়ে যায়। আর এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে তিথির জন্য দ্রবীভূত হয়ে যাচ্ছে রুদ্রিকের মন।

তখন বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা রুদ্রিককে শান্ত করে। এমনকি আড়ালে নায়রা কে বোঝানো হয় যে, আদালতে গিয়ে যদি তিথি বলে যে রুদ্রিক তার স্বামী তাহলে সেটা আইন সিদ্ধ হয়ে যাবে। তাই নায়রা কে কিছু একটা করতে হবে। না হলে নায়রার এবাড়ির বউ হওয়ার স্বপ্ন চিরকাল স্বপ্নই থেকে যাবে।

এই পর্বের শেষে দেখা যায় যে, তিথি ড্রইং রুমে কোদাল নিয়ে এসেছে। রুদ্রিকের মা তিথি কে প্রশ্ন করে এই কোদাল দিয়ে কি হবে এবং তিনি ভীষণ অবাক হয়ে যান। তখন তিথি জানায় যে বাড়ির কর্তা এবং রুদ্রিক কে সে বাড়ির পিছনের জঙ্গল পরিষ্কার করার জন্য পাঠাচ্ছে। রুদ্রিক প্রথমদিকে বিরক্তি প্রকাশ করে এবং রাজি হতে চায় না তবে তিথির জোরাজুরিতে তাকে রাজি হতেই হয়।