দিলীপ ঘোষের কটাক্ষের মুখে পড়তে হলো অনুব্রত মণ্ডলকে

বিধানসভা ভোট যত সামনে আসছে তত প্রচারের পারদ উষ্ণ হচ্ছে। প্রচার এর সাথে সাথে বিভিন্ন সভাতে শোনা যাচ্ছে দিলীপ ঘোষের বিভিন্ন রকম কটাক্ষ। তেমনি কটাক্ষে জন্য বিজেপির থেকে যেমন দিলীপ ঘোষ সবচেয়ে উঁচু পর্যায়, তৃণমূলের পক্ষ থেকে অনুব্রত মণ্ডলও কম কিছু যায় না। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, অনুব্রত মন্ডল যদি বিজেপিতে যোগদান করতে চান তাহলে কি দলে নেওয়া হবে? (Dilip Ghosh slamms TMC leader Anubrata Mondal)

দিলীপ ঘোষ তখন উত্তর দেন যে, ওনাকে দলে নেওয়া হবে কি হবে না সেটা তো আমি একা বিচার করতে পারি না। সেটা অবশ্যই দলের সকল এ বিচার করবে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন যে, ওনার দল আদেও থাকবে কিনা সেটা এখনও বলা যাচ্ছে না, তবে ওনার ব্যাপার যে, উনি কোন দলে অংশগ্রহণ করবেন। মানুষকে আমরা আমাদের দলে জায়গা করে দিয়েছে সুতরাং উনি যদি আসতে চায় অবশ্যই ওনাকে কোনে একটা জায়গা করে দেওয়া হবে।

কালী পূজার সময় জানা যায় অনুব্রত মণ্ডল মা কালীকে প্রায় ৩০০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে পুজো করেছিলেন এবং মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন ২২০ টা আসনের জন্য। বৃহস্পতিবারেই অনুব্রত মন্ডল তারাপীঠ গিয়ে পুজো দেন ভোটের জন্য প্রার্থনা করে। তিনি জানান যে, তারাপিঠে গিয়ে পূজা দিয়ে তিনি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছেন ২২০ থেকে ২৩০ টি আসন পাওয়ার জন্য।

আরও বলেন সংবাদমাধ্যমকে যে,” বাংলার উন্নয়নের যাতে কোনরকম সমস্যা না হয় সেই জন্যেই মায়ের কাছে আমি প্রার্থনা করেছি”। তিনি দাবি করে বলেন যে, মায়ের কাছে তিনি ২২০ টি আসনের জন্য প্রার্থনা করেছেন সেজন্য তিনি ২২০ আসন ই পাবেন। আপাত ভোট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কোন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়া নিয়েও যথেষ্ট সমালোচনার সৃষ্টি হয়ে গেছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য বীরভূমের লাভপুরে গিয়ে এক মন্দিরে পূজা দেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। খবর সূত্রে জানা গেছে যে, ভোটে তাদের জয়ের প্রার্থনা করে ঠাকুরের কাছে তিনি পুজো দেন।

এরপরেই অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন যে, “কোন যজ্ঞ করেই কোন কিছু হবে না, এতদিন ধরে তারা যে সমস্ত অন্যায় কাজকর্ম করে এসেছে, কত মানুষের চোখের জল ঝড়িয়েছে, তাদের কোনদিনও ভালো হবে না”। অন্যদিকে আবার একটি সভা থেকে বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে, “অনুব্রত মণ্ডল কে এবার বিজেপিতে টানার চেষ্টা করছে”। অনুব্রত মণ্ডল তাকে ফোন করে জানিয়েছিল যে তাকে এক বিজেপি নেতা ফোন করেছিল। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে ভোটকে ঘিরে যথেষ্ট তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। অবশেষে কোন দলের জন্য কটা আসন যাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Dilip Ghosh slamms TMC leader Anubrata Mondal
এইবার দিলীপ ঘোষের কটাক্ষের মুখে পড়তে হলো অনুব্রত মণ্ডলকে