পুজো শুরু হতে না হতেই ঘটে গেল আবার বিপদ !

এমনিতেই সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস যে ভাবে তার তান্ডব চালাচ্ছে তাতে আগামী কিছু মাসের মধ্যে এর প্রকোপ আরো কতটা মারাত্মক হবে তা আর কাউকে না বোঝালেও বুঝে যাবে। মানুষ মেতে রয়েছে আনন্দে। কোনভাবেই আটকানো যাচ্ছে না বাঙ্গালীদের পুজোর আনন্দ। তারই মধ্যে ঘটে যায় নানা বিপর্যয়।প্রকৃতি বোধহয় কোনভাবেই সন্তুষ্ট হতে পারছেনা মানুষের উপর। আনন্দের মাঝখানে ছন্দ পতন হলো একটি বিশাল বিস্ফোরণের জন্য। (Rhythm falls in the middle of joy for a huge explosion during Durga Puja 2020)

কিছুদিন আগে শোনা গেছিলো বেলেঘাটার বিস্ফোরণের ঘটনাটি। এছাড়াও মাঝে মাঝে কলকাতার অনান্য অঞ্চল থেকে শোনা যাচ্ছে মাঝে মাঝেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও।

ফের আবার বিস্ফোরণ ঘটলো বীরভূমের হেতামপুরের চম্পানগরীর একটি দাতব্য চিকিৎসালয়ে। (Explosion in Hetampur, Champanagari, Birbhum during durga puja on a Dental Hospital)

মঙ্গলবার রাত যখন ঠিক দেড়টা তখনই হঠাৎ বিস্ফোরণের প্রকোপে কেঁপে উঠলো হেতামপুরের এই চম্পানগরী, জেগে উঠল এই প্রচণ্ড বিস্ফোরণের আওয়াজে আশেপাশের মানুষজন।

বিস্ফোরণের শক্তি এতটাই ছিল যে সেই দাতব্য চিকিৎসালয়ের একাংশ উড়ে যায়।

পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে দুবরাজপুর থানা থেকে পুলিশ পৌঁছালে সেখাকার এলাকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এখানকার বাসিন্দাদের থেকে জানা যায় যে, ওই চিকিৎসালয় একটি ঘরে রান্নার জিনিসপত্র রাখা হয়েছিল, এবং তার সঙ্গেও হয়তো ছিলো কিছু বোমা। এই বোমার বিস্ফোরণের এরকম একটা দুর্ঘটনা ঘটে বলে সেখানকার মানুষেরা জানান।

এইরকম অবস্থায় বোম স্কোয়ারডকেও ডাকা হয়, ফলে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয় এক রাজনৈতিক গোলযোগ।

বীরভূমের এই দাতব্য চিকিৎসালয়ের বিস্ফোরণ সম্পর্কে জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন, “এরকম ঘটনা বীরভূমের কাছে নতুন নয়। বীরভূম হলো বোমা তৈরীর আঁতুড়ঘর। তৃণমূলের মদতেই এই সমস্ত কাজ হয়ে আসছে।”

কিন্তু অপরদিকে বীরভূমের তৃণমূলের পক্ষে সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিনহা বলেন যে ভোটের সময় আসছে তার জন্য সন্ত্রাসের রাজনীতি তৈরি করে ভোট পাওয়ার চিন্তা ভাবনা বিজেপি করছে।