মিশরের প্রথম মহিলা নাবিক – সুয়েজ খালে জাহাজ আটকে ফেললেন তিনি! – Marwa Elselehdar Wiki

পুরুষ শাসিত সমুদ্রে তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা ক্যাপ্টেন যিনি একা জাহাজ নিয়ে ভেসে পড়েছিলেন সমুদ্রে। তার নাম, মারওয়া এলসলেহদার। ছোট থেকেই সমুদ্রে থাকার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সাঁতার কাটতে ও ভীষন ভালোবাসতেন তিনি। চাই স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর পর এই সমুদ্র নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছিলেন এই নারী। (World Trending News: Captain Marwa Elselehdar, first Egypt female captain is falsely blamed for ship block in Suez Canal)

আরব অ্যাক্যাডেমি অফ সাইন্স, টেকনলজি এন্ড মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। এই বিভাগের প্রথম মহিলা স্নাতক হলেন মারওয়া। এরপর কার্ডেস মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। ওই বিভাগে তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা পড়ুয়া। তাই স্বাভাবিকভাবেই গঞ্জনা শুনতে হতো তাকে, এমনকি বেশ কয়েকবার যৌন বিদ্বেষমূলক মন্তব্য শুনতে হয়েছিল তাকে। (Marwa Elselehdar Wikipedia, Boyfriend Name, Age)

https://www.instagram.com/p/CNH3EXmhy2Z/

তিনি যখন কলেজে পড়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন মঞ্জুর করেন নি। পরে আদালতের সাহায্য নিয়ে ওই বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। প্রায় হাজার বারোশো পড়ুয়ার মাঝে তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা পড়ুয়া। নানা কটূক্তির মাঝখানেও স্বপ্নকে বুকে নিয়ে হেঁটে চলেছেন তিনি।

কোনভাবেই মনের জোর হাতে দেয় নি এই নারী। পড়াশোনা সম্পন্ন করে দেশের প্রথম মহিলা হিসেবে জাহাজ ভাসিয়েছিলেন সমুদ্রে। ২০১৫ সালে তিনি মিশরের প্রথম মহিলা হিসাবে জাহাজের ক্যাপ্টেন হন। মিশরের ইতিহাসে নতুন ইতিহাস রচনা করেছিলেন তিনি।

সুয়েজ খালে যে ঘটনা ঘটেছিল তার জন্য নাকি দায়ী ছিলেন এই মহিলা ক্যাপ্টেন। এতদিন পর আরও একবার তার কথা খবরের শিরোনামে উঠে আসে। কিন্তু তারপরে নানা সমালোচনার মধ্যেই জানা যায় যে, সুয়েজ খালের ঘটনার সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক ছিল না। সুয়েজ খালে যখন জাহাজ কে অবরুদ্ধ করা হয় তখন ঘটনাস্থল থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন তিনি। অন্য জাহাজে অন্য সমুদ্রে।

marwa elselehdar first egypt female captain is falsely blamed for ship block in suez canal
মিশরের প্রথম মহিলা নাবিক – সুয়েজ খালে জাহাজ আটকে ফেললেন তিনি!