মরণফাঁদ দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে, রাস্তার বেহাল দশায় দুর্ঘটনা নিত্যসঙ্গী

বর্ষায় বেহাল অবস্থা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের (The condition of durgapur express highway, 2 no. National Highway is very poor now in rainy season)। ডানকুনি থেকে বর্ধমান পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশ একাধিক ছোট-বড় খানাখন্দে পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। যার জেরে প্রত্যহ ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। এই রাস্তার সংস্কার কবে করা হবে এই নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

ডানকুনি থেকে আসানসোল এই দুই নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক গাড়ি যাতায়াত করে (Lakhs of cars passing each day in this 2 No. National Highway from Dankuni to Asansol)। এই রাস্তায় বিশেষ করে ডানকুনি সিঙ্গুরের মতো জায়গায় রাস্তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ছোট-বড় গর্তে রাস্তা পূর্ণ হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত গতিতে গাড়ি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার খারাপ অংশ থেকে গাড়ি যাতায়াত করায় আরো বেহাল অবস্থা হচ্ছে।

গত ছয় মাসে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কার্যত সঙ্গীন অবস্থা দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের। হেলদোল নেই কর্তৃপক্ষের। বর্ধমান থেকে ডানকুনি প্রায় ৬৫ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে চলাচল করে সমস্ত গাড়ি। লকডাউন পরিস্থিতিতে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে এই জাতীয় সড়ক। লকডাউন পরিস্থিতিতে বাইক গর্তে পড়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অনেকের। সম্প্রতি চন্ডীতলা থানার কাঁপাসারিয়া গ্রামের কাছে গর্তে পড়ে মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এক পুলিশ অফিসারের।

দ্রুতগতির গাড়ি চলাচলে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তার অবস্থা যে খারাপ তা স্বীকার করা হয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে। প্যাচওয়ার্ক করা হচ্ছে। বর্ষা পুরোপুরি মিটে গেলেই কাজ শুরু হবে। আশ্বাস দেওয়ার পর রাস্তা সারাইয়ের কাজ কবে শুরু হয় সেদিকে তাকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সহ নিত্যযাত্রীরা।