“সামান্য সমস্যায় পড়তে পারি, কিন্তু চীনকে ঢুকতে দেবো না”- চীনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের পাশে মমতা

দিনের-পর-দিন লাদাখ সীমান্তে চিন্তার আগ্রাসী মনোভাব বাড়িয়েই চলেছে। তাই এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উচ্চপদস্থ কর্মচারীগণ দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন। তাই সর্বদলীয় বৈঠক করার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর দেশের এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দলকেই রাজনীতি ভুলে গিয়ে দেশের কথা প্রথমে চিন্তা করতে হবে। আর কিভাবে এই সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যায় আর চীনকে যথোপযুক্ত উত্তর দেয়া যায় সেই রাস্তা বের করতে হবে। আর এই সর্বদলীয় বৈঠকে এই সরকারের পাশে সম্পূর্ণরূপে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

“দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা সবাই কেন্দ্রীয় সরকারের সাথেই আছি। এই পরিস্থিতিতে সর্বদলীয় বৈঠক খুব ভালো বার্তা প্রেরণ করবে। প্রত্যেকে বুঝতে পারবে আমরা সাথে রয়েছি। বিপদের এই পরিস্থিতিতে সরকারকে সর্বতোভাবে সাহায্য করবো আমরা,” এই কথাগুলোই তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছেন সর্বদলীয় বৈঠকে। এর থেকে চীন-ভারত সংঘাতে তৃণমূলের অবস্থান।

নিশ্চিত শুধু এটুকু বলেই থেমে যাননি মমতা। তিনি যোগ করেন, চীন কে টেলিকম ইন্ডাস্ট্রি, রেল, বিমান সংক্রান্ত বিজনেসে ঢুকতে দেওয়া উচিত হবে না। এর ফলে আমাদের হয়তো কিছু সমস্যা হতে পারে। কিন্তু কোনভাবেই, কোন পরি পরিস্থিতিতেই চীনকে আমাদের দেশের মধ্যে ঢুকে রাজত্ব করতে দেওয়া যাবে না। চীন গণতন্ত্রবিহীন সেখানে একনায়কতন্ত্র অনুযায়ী সমস্ত কাজ চলে। তাদের মনে যা আসে সেটাই করে যায়। কিন্তু আমরা ওদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমরা একসঙ্গে কাজ করে থাকি। আমরা প্রতিটি জনগণের কথা অনুযায়ী কাজ করি। ভারত অবশ্যই জিতবে আর চীনের হার অবশ্যম্ভাবী। ঐক্যের কথা বলুন, ঐক্যের চিন্তা ভাবনা করুন, ঐক্যের সঙ্গে কাজ করে যান। আমরা পুরোপুরি ভাবে সরকারের পাশে রয়েছি।

হাই বন্ধুরা, প্রতিদিনের গুরুত্বপূ্র্ণ খবর পাওয়ার জন্য bangla.365reporter বুকমার্ক করে রাখুন। আর ফেইসবুক, টুইটার এবং পিন্টারেস্টে আমাদের সঙ্গে কানেক্ট করতে পারেন। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.