শকিং নিউজ! সত্যিই কি রিয়া সুশান্তকে ড্রাগে আচ্ছন্ন করে রাখতো?

ক্রমাগত সুশান্তের মৃত্যু মামলায় একের পর এক শকিং তথ্য উঠে আসছে। এবার নতুন আরেকটি তথ্য উঠে এলো। আর এই খবরটি পড়ে আপনাদের চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী এবং সুশান্তের মধ্যকার একটা হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন পাওয়া গেল (Whatsapp conversation between Rhea Chakraborty and Sushant Singh Rajput)। এর সঙ্গে ড্রাগ এর কি সম্পর্ক তা চলুন আমরা জেনে নেই ?

দা নারকটিকস কন্ত্রল বিউরো (The Narcotics Control Bureau) বা এনসিবি (NCB) যারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে তারা এখানে তদন্ত করার পরিকল্পনা করছে। এবার রিয়া এবং সুশান্তের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে মনে করা হচ্ছে যে রিয়া অভিনেতা কে ড্রাগ সরবরাহ করতো অনেকদিন পর পর (Does really Rhea drug Sushant Singh ?)। আর এই ড্রাগ এর মধ্যে রয়েছে এমডিএমএ মারিজুয়ানা ইত্যাদি। আর তাদের কথোপকথন থেকে গৌরব আর্য নামে এক ডিলারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

আর সেখানে রিয়া বলছে,” আমি কখনো শক্তিশালী ড্রাগ নেইনি। আর তাছাড়া আমি খুব বেশি ড্রাগ নিয়ে থাকি না। আমি একবার এমডিএমএ ট্রাই করেছিলাম।” এরপর বলছে,” আপনার কাছে এমডিএমএ ড্রাগ হবে?”

এরপর যে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাটি উদ্ধার হয়েছে তা দেখে আপনারা শক খেয়ে যাবেন। এখানে রিয়ার বান্ধবী জয়া সাহা তাকে কিছু নির্দেশ দিচ্ছে। সে বলছে,” চায়ের মধ্যে চার ফোঁটা দিয়ে দিও। আরএইচ তাকে খেতে দাও। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করো। এরপরে আসল খেলা শুরু হবে। অর্থাৎ ড্রাগ তার কাজ করতে শুরু করে দেবে।”

এরপর রিয়া তাকে ধন্যবাদ জানায়। তখন জয়া উত্তরে বলে,” ভাই কোনো ব্যাপার না। আশা করি এটা কাজ করবে।”
এরপর অন্য একটি বার্তা তে দেখা গিয়েছে রিয়া, মিরান্ডা সুসি নামে একজনের নম্বর সেভ করে রেখেছে। সেখানে মেয়েটা রিয়াকে জানাচ্ছে, “ভাই, ড্রাগ প্রায় শেষ। তোর ভাইয়ের বন্ধুর কাছে কি আছে কিছু? কিন্তু ওর কাছে শুধু হালকা কিছু গাঁজা রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, রিয়া একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বলেছে যে, সে সুশান্তর গার্লফ্রেন্ড। আর ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সে সুশান্তের বান্দ্রার বাড়িতে একই সাথে থাকতো।

তবে এই সমস্ত ড্রাগ রিলেটেড কথাবার্তার উত্তর দিলেন রিয়া চক্রবর্তী উকিল। তিনি জানালেন,” রিয়া কখনো ড্রাগ নেয়নি। আপনারা চাইলে যেকোনো মুহূর্তে তার ব্লাড টেস্ট করতে পারেন।”

তবে এই সমস্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এনসিবি বা মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তদন্ত করতে চাইছে। কারণ এখানে ড্রাগের গুজব ছড়িয়ে গিয়েছে। আর এই মৃত্যুর সঙ্গে ড্রাগের কোন যোগসূত্র থাকলেও থাকতে পারে বলে অনুমান করছে তারা।