জেনে নিন একটি সুষ্ঠু সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য কি কি প্রয়োজন

উত্থান – পতনকে ঘিরেই মানব জীবন। জীবনে কেউই পারফেক্ট নয়। ব্যবহারই হলো মানুষের পরিচয়। একটি সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা আনা খুবই সহজ কিন্তু আসল চ্যালেঞ্জটি হলো সম্পর্কটিকে সুন্দর ভাবে গড়ে তোলা। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে যে ভাবে দিনের পর দিন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাতে প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিচ্ছিন্ন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। সময় এবং জীবন আমাদেরকে অনেক শিক্ষা প্রদান করে (365 Reporter Bangla Relationship Tips : how to build a good relationship)।

আমাদের চারপাশের মানুষগুলোকে আমরা কিভাবে ভালো রাখবো এবং একটি সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখব সেটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আমাদের উপর। আমরা চাইলেই যেমন একটি মানুষকে নিজেদের সুন্দর ব্যবহারের দ্বারা আকৃষ্ট করতে পারি তেমনি তিক্ততা দেখিয়ে দূরেও ঠেলে দিতে পারি। কিন্তু কোনো সম্পর্কের তিক্ততা রাখার থেকে সকলে মিলে হাসিখুশি এবং সুস্থ জীবন যাপন করাটাই সকল মানুষের উচিত। একটি সম্পর্কের মধ্যে রাগ অভিমান তিক্ততা সাময়িক কালের জন্য আসতেই পারে, তবে সেই রাগ অভিমান কে দীর্ঘদিন ধরে নিজের মনে পুষে না রাখাই উচিত। তার বদলে প্রত্যেককে ভাবা উচিত সবকিছু উপেক্ষা করে কিভাবে আবার সুষ্ঠু একটি সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়।

relationship goals
দুজনের মিষ্টি ভালোবাসা

মান অভিমান কে উপেক্ষা করে কিভাবে একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলা যায় তার দৃষ্টান্ত যদি দিতে হয় তবে উল্লেখ করতে হয় টলিউডের রাজ ও মিমির কথা (Raj Chakraborty and Mimi Chakraborty from Tollywood)। আমরা প্রায় সকলেই জানি রাজ ও মিমির প্রেমের সম্পর্কের বিষয়। পরবর্তীকালে রাজ-শুভশ্রীর সাথে সাতপাকে বাঁধা পড়ার পর মিমি ও শুভশ্রীর মধ্যে সাময়িক মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়েছিল (Raj marries actress Subhasree Ganguly)।

এখন সকলেই দেখতে পাবেন কিভাবে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সম্পর্ক দূর হয়ে গিয়ে একটি ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। মিমি যেমন শুভশ্রীর সদ্যজাত সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং বিশেষ কিছু উপহার পাঠিয়েছেন তেমনই শুভশ্রীও তার দিক থেকে ভালোবাসা প্রদান করেছেন মিমিকে। এর থেকে বোঝা যায় আমরা চাইলেই যে কোন সম্পর্কের মধ্যে থাকা তিক্ততাকে খুব সহজেই দূর করে আবার সেই প্রিয়জন গুলিকে নিজেদের কাছে রাখতে পারি।

কিভাবে একটি সম্পর্ককে সুস্থ এবং সাবলীল রাখা যায় সে বিষয়ে জানতে গেলে বিশেষ কিছু জিনিস মাথায় রাখা উচিত।

১. প্রিয়জনদের খেয়াল রাখা আমাদের কর্তব্য। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনদের সামান্য একটু খবর নেওয়া অনেকটা কাছে এনে দেয় প্রিয়জনদের।

২. মাঝে মাঝে প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানোটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। একে অপরের ভালোলাগার জিনিসগুলি ভাগ করে নেওয়া এবং পছন্দের কাজ গুলি একসাথে করাটা খুবই জরুরী।

৩. কর্মজীবনের ব্যস্ততার মাঝে আমাদের সকলেরই ইচ্ছা করে একটু ঘুরে আসতে। তাই উইকেন্ডে প্রিয়জনদের নিয়ে কোনো পছন্দের জায়গা ঘুরে আসা এবং কিছুটা ভালো সময় কাটানো একটি সম্পর্ককে আরও মজবুত করে।

৪. ভালো সময় কাটানোর জন্য শুধুমাত্র ঘুরতে যাওয়াটাই আবশ্যক নয়। প্রিয়জনদের সাথে কিছুক্ষণ মনের কথা শেয়ার করা, পছন্দের কাজ গুলি ভাগ করে নেওয়া, গান শোনা বা মুভি দেখা এমন অনেক ছোট ছোট কাজ একটি সম্পর্কের মধ্যে সুষ্ঠু বন্ধন আনে।