জয় বাবা ফেলুনাথের দুই চরিত্র চলে গেলেন পরপর, শোকের ছায়া নেমে এলো টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে

“আজকে মোদের বড়ই খুশির দিন”, হ্যাঁ আজ হয়তো সত্যিই বড় খুশির দিন সত্যজিৎ রায়ের জন্য। একের পর এক প্রিয় ব্যক্তি চলে যাচ্ছেন তার কাছে। কিছুদিন আগে গত হয়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের মানসপুত্র। তার পিছু নিলাম প্রবাদপ্রতিম বর্ষীয়ান অভিনেতা মনু মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৯৩ বছর। বেশ কয়েক বছর বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। কোমরে সমস্যা এতটাই বেড়ে গেছিল যে, শেষ কয়েক বছর একেবারেই শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি, তার বড় জামাই জয়ন্ত সরদার জানিয়েছেন এ কথা। ছিল হৃদরোগের সমস্যা। রবিবার সকালে নিজের বাড়িতেই জীবনাবসান হয় তার। (Tollywood News : Legendary Manu Mukherjee travels to another world to meet Satyajit Roy Sir)

মনু মুখোপাধ্যায় এর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেল বহু সিনেমার স্মৃতি। উনবিংশ শতকের শিশুদের কাছে ছোটবেলা মানেই ছিল মনু মুখোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। শেষ বয়সে ও অনাবিল আনন্দ করতে ভালোবাসেন তিনি। এককথায় প্রানবন্ত মানুষ ছিলেন তিনি। তোর এক কথাতেই হিসি লুটেপুটে খেতে পারতো আবালবৃদ্ধবনিতা।

এই বর্ষীয়ান অভিনেতা মহাপ্রয়াণের খবর নিশ্চিত করে আর্টিস্ট ফোরাম জানিয়েছে, গভীর শোকের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি, প্রখ্যাত অভিনেতা এবং ফোরামের প্রাণের মানুষ, মনু মুখোপাধ্যায় আজ প্রয়াত হলেন। আমরা সকলেই তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। এরপর কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

১৯৩০ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন মনু মুখোপাধ্যায়। থিয়েটার তার জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। তার প্রথম ছবি ছিল মৃণাল সেন এর নীল আকাশের নিচে। মৃণাল সেন ছাড়াও তিনি সত্যজিৎ রায়ের বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত ছবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, মৃগায়া, জয় বাবা ফেলুনাথ, গণশত্রু। তার অভিনয় দক্ষতা বারবার মুগ্ধ করেছে আপামর জনগণকে। তার চলে যাওয়া আরো একবার ক্ষতির সম্মুখীন করে দিল বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে।

Legendary Manu Mukherjee travels to another world
জয় বাবা ফেলুনাথের দুই চরিত্র চলে গেলেন পরপর, শোকের ছায়া নেমে এলো টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে (ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)