“সুশান্তের আত্মহত্যায় ওর দিদিদের হাত রয়েছে”- বললেন রিয়া চক্রবর্তী

বন্ধুরা, এই মুহূর্তে সুশান্তের মৃত্যুতে গোটা দেশে তোলপাড় চলছে। গতকালই রিয়া চক্রবর্তী সুশান্তের দিদিদের নামে অভিযোগ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, সুশান্তের দিদিরা সুশান্তকে ভুলভাল মেডিকেল প্রেস্ক্রিপশন দিয়েছিল। আর এই প্রেস্ক্রিপশন তারা সুশান্তকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য দিয়েছিল যা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দেওয়া ঠিক নয়। তো এর একদিন পরেই সুশান্তের দিদিদের হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা অনুযায়ী, মুম্বাই পুলিশ সুশান্তের দিদিদের এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছে।

অপরদিকে মুম্বাইয়ের পুলিশের তরফ থেকে এই ব্যাপারে সমস্ত কথা বলা হয়েছে। তারা বললেন,”আমরা এই কেসটিকে আরো ভালোভাবে তদন্ত করার জন্য সিবিআই এর কাছে ট্রানস্ফার করে দিলাম। কারণ আমাদেরকে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক একই ধরনের নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে।” (Rhea Chakraborty accuses Sushant SIngh Rajput’s sister’s for his suicide)

একজন অফিসার বললেন মিস্টার রাজপুতের দিদি এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি বললেন যে, রাজপুতের দিদি প্রিয়াঙ্কা সিং এবং মিতু সিং এবং দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের ডঃ তরুণ কুমার এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে কেস ফাইল করা হয়েছে। এরপর আমরা এই ব্যাপারটি নিয়ে আরো ভালোভাবে তদন্ত করব (A case is filed against Priyanka Singh, Meetu SIngh, Dr. Tarun Kumar from Ram Manohar Lohia Hospital, Delhi and others.)।

অপরদিকে অভিনেত্রী চক্রবর্তীর উকিল সতীশবাবু জানালেন,” আইনের ধারা মোতাবেক রিয়া দিদিমণি বান্দ্রা পুলিশ স্টেশনে কেস ফাইল করেছে। হয়তোবা উপযুক্ত ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ইল্লিগাল ভাবে দেওয়া ওষুধ এবং ড্রাগ সুশান্তকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সুশান্তের দিদিদের কে এখন তদন্তকারী অফিসারদের এবং ভগবানের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।”

অপরদিকে সুশান্তের দিদিদের আইনজীবী মিস্টার বরুণ সিং সংবাদমাধ্যমকে এই মামলা থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন সে কথা জানালেন। তিনি জানালেন,” ভাবসাব দেখে মনে হচ্ছে যেন রিয়া চক্রবর্তীর সেকেন্ড হোম হল বান্দ্রা পুলিশ স্টেশন (Bandra Police Station, Mumbai)। তুচ্ছ সমস্যা হলেও সে ওই পুলিশ স্টেশনে চলে যাচ্ছে। আর আমরা কেসের সমাধান করব কোর্টে গিয়ে।”

তো চলুন আসলে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী কি অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন? তিনি বলেছিলেন,”ওকে কোন প্রকার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ খাওয়ার জন্য প্রেসক্রিপশন বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর এর মধ্যেই ইল্লিগাল ড্রাগগুলো ছিল। আর এর পাঁচ দিনের মধ্যেই ওকে অসহায় ভাবে মৃত্যুবরণ করতে হলো। আর এই কারণে অবশ্যই সুশান্তের দিদি প্রিয়াঙ্কা সিং, ডাক্তার তরুণ সিংহ এবং অন্যান্যদেরকে তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ তারা কি ভেবে এরকম একটা বোগাস এবং আইন বিরোধী প্রেসক্রিপশন দিতে পারলো ?