শরীরে মেদ জমার ভয়ে ভাত খাচ্ছেন না ? এই পদ্ধতিতে নিশ্চিন্তে ভাত খান

ভাতের সঙ্গে বাঙালির একটা অন্তরঙ্গ সম্পর্ক রয়েছে (All bangalis has an intimate relations with rice)। অনেকে চিকিৎসকের বারণ সত্তেও ভাত খেয়ে ফেলেন। আবার অনেকেই ভাতের ক্যালরি বেশি থাকায় মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভাত খাওয়া ছেড়ে দেন। স্বাস্থ্যসচেতনতার পাশাপাশি তৃপ্তি করে খাওয়ারও যে বিষয়টি রয়েছে সেখানে বাঙালির প্রিয় ‘ভাত’ বিশেষ জায়গা করে নেয়।

শ্রীলঙ্কার একদল গবেষক জানিয়েছেন, বিশেষ রান্নার পদ্ধতিতে ভাতের ৫০ শতাংশ ক‍্যালোরি কমিয়ে ফেলা যায় (Lifestyle Tips: Secret tricks to not get fat by eating rice)। তাদের মতে, ভাতে থাকা সব স্টার্চ এক রকম হয় না। সরল স্টার্চ হজম হতে কম সময় নেয় এবং জটিল স্টার্চ হজম হতে স্বাভাবিকভাবেই বেশি সময় লাগে। শরীরে বেশি পরিমাণ গ্লাইকোজেন জমা হয় মেদ কমানোর জন্য এনার্জি যোগান দিতে। তাই ভাত রান্নার সময়ে চাল দেওয়ার আগে জলে নারকেল তেল দিলে স্টার্চ সহজেই হজম হতে সাহায্য করে।

রান্নার পদ্ধতি জেনে নিন (Follow the rice cooking procedure):

★ প্রথমে চাল ভালো করে ধুয়ে রাখতে হবে।
★ তারপরে গরম জল বসিয়ে জল ফুটতে দিতে হবে।
★ চাল দেওয়ার আগে জলের মধ্যে নারকেল তেল দিতে হবে। আধকাপ চালের জন্য ১ চামচ নারকেল তেল মেশাতে হবে। চালের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারকেল তেল পরিমাণ বাড়বে।

★ এরপর স্বাভাবিক নিয়মেই ভাত রান্না করতে হবে।
★ ভাত হয়ে গেলে তা ঠাণ্ডা করে ১২ ঘণ্টা আগে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।
★ খাওয়ার আগে প্রয়োজনমতো গরম করে নিয়ে পরিবেশন করুন।

এই পদ্ধতিতে রান্না করা ভাত খেলেও মোটা হওয়ার বা শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি বেড়ে যাওয়ার মত সমস্যা হবে না। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখতে পারেন।